দিনাজপুরের রামসাগরে অবস্থিত বায়তুল আকসা মসজিদের
"ইমাম হাজী মোঃমহিউদ্দীন"৷ তিনি ১৯১৩ সালে জন্মগ্রহন করেন অর্থাৎ বর্তমান বয়স ১০৩ বছর৷
তিনি ৫৫বছর বয়সে অর্থাৎ,১৯৬৮ সালে পায়ে হেঁটে বাংলাদেশ থেকে পবিত্র কাবা শরীফ তাওয়াফের নিয়তে ও রাসূল(সাঃ) রওজা মুবারক জিয়ারতের উদ্দেশ্য রওনা দেন৷
পায়ে হেটেই ভারত=>পাকিস্থান
=>ইরান=>কাতার=>অতিক্রম করে অতঃপর সৌদি আরব পৌছে আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে ফরজ হজ্জ পালন করেন৷
(সুবহান্নাল্লাহ্)
মক্কা-মদিনা সফর করে তিনি ঈমানকে আরও মজবুত করার লক্ষ্যে অভিশপ্ত ফিরআউনের লাশ দেখার উদ্দেশ্যে মিশর রওনা দেন৷
অতঃপর আল্লাহর রাস্তার ধুলো পায়ে লাগিয়ে ১৮ মাস পর ১৯৭০ সালে হেটে হেটেই নিজ পরিবারে বাংলাদেশে ফিরে আসেন৷
আল্লাহর রহমতে তিনি এখনও জীবিত ও সুস্থ আছেন৷
সবদিক থেকেই তিনি আল্লাহর উপর সন্তুষ্ট আছেন এবং রাসূল মুহাম্মদ(সাঃ) এর উম্মত হতে পারাটা অনেক সৌভাগ্যের বিষয় বলে মন্তব্য করেন৷
দোয়া করি, আল্লাহ উনাকে আরও হায়াৎ দিন ও উনার আমলকে অনেক অনেক সুন্দর করার তৌফিক দান করুন৷(আমিন)...........
"ইমাম হাজী মোঃমহিউদ্দীন"৷ তিনি ১৯১৩ সালে জন্মগ্রহন করেন অর্থাৎ বর্তমান বয়স ১০৩ বছর৷
তিনি ৫৫বছর বয়সে অর্থাৎ,১৯৬৮ সালে পায়ে হেঁটে বাংলাদেশ থেকে পবিত্র কাবা শরীফ তাওয়াফের নিয়তে ও রাসূল(সাঃ) রওজা মুবারক জিয়ারতের উদ্দেশ্য রওনা দেন৷
পায়ে হেটেই ভারত=>পাকিস্থান
=>ইরান=>কাতার=>অতিক্রম করে অতঃপর সৌদি আরব পৌছে আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে ফরজ হজ্জ পালন করেন৷
(সুবহান্নাল্লাহ্)
মক্কা-মদিনা সফর করে তিনি ঈমানকে আরও মজবুত করার লক্ষ্যে অভিশপ্ত ফিরআউনের লাশ দেখার উদ্দেশ্যে মিশর রওনা দেন৷
অতঃপর আল্লাহর রাস্তার ধুলো পায়ে লাগিয়ে ১৮ মাস পর ১৯৭০ সালে হেটে হেটেই নিজ পরিবারে বাংলাদেশে ফিরে আসেন৷
আল্লাহর রহমতে তিনি এখনও জীবিত ও সুস্থ আছেন৷
সবদিক থেকেই তিনি আল্লাহর উপর সন্তুষ্ট আছেন এবং রাসূল মুহাম্মদ(সাঃ) এর উম্মত হতে পারাটা অনেক সৌভাগ্যের বিষয় বলে মন্তব্য করেন৷
দোয়া করি, আল্লাহ উনাকে আরও হায়াৎ দিন ও উনার আমলকে অনেক অনেক সুন্দর করার তৌফিক দান করুন৷(আমিন)...........


0 Comments